GPL ফাইল মডিফাই করার বৈধ উপায়সমূহ

উপায় বৈধতা শর্ত
1️⃣ সোর্স কোড সম্পাদনা (Code Editing) ✔️ বৈধ মডিফাই করা কোড বিতরণ করলে সোর্স কোড দিতে হবে (স্বাভাবিকভাবে বা অনুরোধ করলে)
2️⃣ ফাংশন যোগ করা বা বাদ দেওয়া ✔️ বৈধ সম্পূর্ণ বৈধ
3️⃣ থিম বা প্লাগইনের ডিজাইন/UI পরিবর্তন ✔️ বৈধ বৈধ
4️⃣ ফাইল বা ফোল্ডার গঠন পরিবর্তন করা ✔️ বৈধ বৈধ
5️⃣ অন্য GPL সফটওয়্যারের সাথে Merge করা ✔️ বৈধ পুরো কোডবেইসকে GPL লাইসেন্সে রাখতে হবে
6️⃣ Custom branding/logo যোগ করা ✔️ বৈধ মূল কপিরাইট/লাইসেন্স তথ্য মুছে ফেলা যাবে না (Credit থাকতে হবে)
7️⃣ নতুন ফিচার অ্যাড করা ✔️ বৈধ বৈধ
8️⃣ Custom watermark বা copyright নোটিশ যোগ ✔️ বৈধ মূল লাইসেন্স বা কপিরাইট রিমুভ করা যাবে না
9️⃣ Language Translation/Localization ✔️ বৈধ বৈধ
🔟 প্রিমিয়াম ফিচার আনলক করে বিতরণ করা ✔️ বৈধ GPL শর্ত মেনে করা হলে বৈধ (সোর্স কোড দিতে হবে, রিস্ট্রিকশন দেওয়া যাবে না)

ওয়ার্ডপ্রেস GPL অপব্যবহার: আপনার অধিকার কিভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছ

✅ ১. WordPress থিম/প্লাগইন ১০০% GPL হওয়া উচিত

WordPress এবং এর কোড-ভিত্তিক থিম/প্লাগইন GPL লাইসেন্সের আওতায় থাকা বাধ্যতামূলক।

প্রমাণ: https://wordpress.org/about/license/

"If you distribute a plugin or theme that uses WordPress code, it must be 100% GPL."

❌ ২. তারা কেন Split Licensing করে?

কিছু মার্কেটপ্লেস ও ডেভেলপার Split Licensing করে কারণ:

  • ব্যবহারকারীদের স্বাধীনতা সীমিত রাখতে চায়
  • প্রতি ডোমেইনের জন্য আলাদা লাইসেন্স কিনতে বাধ্য করা
  • বার্ষিক ফি নিয়ে বারবার আয় করতে চায়

এটি মূলত ব্যবসায়িক সুবিধা আদায়ের কৌশল, যা WordPress-এর ওপেনসোর্স নীতির বিরুদ্ধে।

⚠️ ৩. আপনি কিনেও রিসেল করতে পারেন না — ভয় দেখায়

তারা বলে: “আপনার একাউন্ট ব্যান হবে, এটা বেআইনি।” অথচ GPL অনুযায়ী আপনি রিসেল করতে পারেন।

প্রমাণ: GPLv2 License

“You may copy and distribute the Program in any medium…”

💰 ৪. লাইসেন্স বিভ্রান্তি তৈরি করে অর্থনৈতিক ফাঁদ

  • “এক ডোমেইনে একবার ইনস্টল করা যাবে”
  • “সাপোর্ট না নিলে সফটওয়্যার অবৈধ”
  • “লাইসেন্স ছাড়া ব্যবহার অবৈধ”

এসব বলে তারা ভয় তৈরি করে, অথচ GPL লাইসেন্সে এসব বাধ্যতামূলক নয়।

🧨 ৫. এই অপব্যবহারে ব্যবহারকারীর কী ক্ষতি হয়?

  • অযথা অতিরিক্ত লাইসেন্স ফি দিতে হয়
  • একাউন্ট বা ফাইল রিমুভ করা হতে পারে
  • ব্যবহারকারীরা ভয় পায় এবং অধিকার হারায়
  • GPL ফাইলকে অবৈধ মনে করে এড়িয়ে চলে

🔍 ৬. কীভাবে আপনি নিজের অধিকার রক্ষা করবেন?

  • GPL সম্পর্কে নিজে জানুন
  • GPL-সমর্থিত বিশ্বস্ত মার্কেট ব্যবহার করুন
  • থিম/প্লাগইনের লাইসেন্স দেখে কিনুন
  • Split Licensing দেখলে প্রশ্ন তুলুন
  • অন্যদেরও সচেতন করুন

🔐 ডিসক্লেইমার:

এই পোস্টটি শুধুমাত্র শিক্ষামূলক ও সচেতনতামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এখানে কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে সরাসরি টার্গেট করা হয়নি।

WordPress থিম একটি ডেরিভেটিভ কাজ।

WordPress GPL Policy Statement

তাই WordPress-এর অফিসিয়াল নীতিমতে থিমের কোড, ডিজাইন ও ইমেজ—সবই GPL বা GPL-compatible লাইসেন্সে হওয়া উচিত।

WordPress বলে—

GPL মানতে আপত্তি?
✔️ Joomla, Laravel, Custom CMS, SaaS বা অন্য closed-source প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন।

কিন্তু WordPress ব্যবহার করে
❌ closed-source বা restrictive লাইসেন্স রাখা যাবে না।

Theme = Code + Design + Images = একটি সম্পূর্ণ কাজ
এবং সেই সম্পূর্ণ কাজটাই GPL-compatible হওয়া উচিত।

👉 তাই WordPress.org-এ থিম সাবমিট করতে হলে
পুরো থিম (কোড, CSS, JS, ইমেজ, আইকনসহ) GPL বা GPL-compatible হওয়া strongly recommended এবং কার্যত required।

GNU General Public License (GPL) ও WordPress

WordPress সফটওয়্যারটি GNU General Public License (GPLv2 বা পরবর্তী সংস্করণ) এর অধীনে প্রকাশিত। এই লাইসেন্সটি তৈরি করেছে Free Software Foundation (FSF)।

WordPress-এর প্রতিটি কপির সাথে GPL লাইসেন্স অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়াও, চাইলে অনলাইনে GPL লাইসেন্সের সম্পূর্ণ লেখাটি পড়া যায়।

থিম ও প্লাগইন সম্পর্কে GPL কী বলে?

GPL লাইসেন্স অনুযায়ী, WordPress-এর মূল কোড ব্যবহার করে তৈরি যেকোনো থিম বা প্লাগইন কে বলা হয় Derivative Work (উৎপন্ন কাজ)।

অর্থাৎ, WordPress-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি থিম ও প্লাগইনগুলোও GPL লাইসেন্সের অধীনে থাকতে বাধ্য।

  • থিম ও প্লাগইন ব্যবহার করা যাবে
  • কপি করা যাবে
  • পরিবর্তন (Modify) করা যাবে
  • পুনরায় বিতরণ বা বিক্রি করা যাবে

আইনি অবস্থান (Legal Perspective)

WordPress কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে যে “Derivative Work” কী—তা নিয়ে কিছু আইনি ধোঁয়াশা থাকতে পারে। তবে তাদের দৃঢ় অবস্থান হলো—WordPress-এর জন্য তৈরি থিম ও প্লাগইনগুলো অবশ্যই GPL লাইসেন্স অনুসরণ করবে।

অফিসিয়াল সোর্স